৬ষ্ঠ থেকে ৯বম শ্রেণির পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচির আলোকে মূল্যায়ন নির্দেশনা

এ বছর ১৬ মার্চ পর্যন্ত ক্লাস হওয়ার পর কোভিভ-১৯ মহামারির কারণে ১৮/০৩/২০২০ তারিখ থেকে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে; ফলে ২০২০ শিক্ষাবর্ষের নির্ধারিত পাঠ্যসূচি কোথাও যথাযথভাবে, কোথাও বা পূর্ণাংগভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে এ বছরের শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচিকে সংক্ষিপ্ত করে পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।

এমতাবস্থায় শিক্ষার্থী যেন আরও কিছু শিখনফল অর্জন করে পরবর্তি শ্রেণির জন্য প্রস্তুত হতে পারে সেই বিষয়টি বিবেচনায় এনে তাদের পাঠ্যসূচি পূণর্বিন্যাস এবং এসাইনমেন্টের মাধ্যমে মূল্যায়নের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ সরকার। এই মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অর্জিত শিখন ফলের সবলতা বা দূর্বলতা চিহ্নিত করে পরবর্তী শ্রেণিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে তাদের অর্জিত শিখনফল মূল্যায়ন করা হবে। পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে কোন সপ্তাহে শিক্ষার্থীর কী মূল্যায়ন করা হবে সে বিবেচনায় এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রতি সপ্তাহের শুরুতে ঐ সপ্তাহের জন্য নির্ধারিত এ্যাসাইনমেন্টগুলো দিয়ে দেওয়া হবে এবং সপ্তাহ শেষে শিক্ষার্থীরা তাদের এ্যাসাইনমেন্ট শেষ করে সুবিধামত সময়ে স্কুলে জমা দিবে।

শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনা :

(১) শিক্ষার্থীদের শিখনফল অর্জনই মূল উদ্দেশ্য। পরবর্তী শ্রেণির পাঠ গ্রহণের ক্ষেত্রে এটি সুবিধা প্রদান করবে, তাই এটি অনুসরণ করা জরুরি।

(২) এ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করতে এনসিটিবি প্রণীত ও প্রকাশিত ২০২০ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক ব্যবহার করলেই চলবে। গাইড বই, নােট বই বা বাজার থেকে কেনা নােটের প্রয়ােজন নেই। 

(৩) মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর নিজস্বতা, স্বকীয়তা ও সৃজনশীলতা যাচাই করা হবে। তাই অন্যের লেখা নকল করে এ্যাসাইনমেন্ট জমা দিলে তা বাতিল করা হবে এবং পুনরায় সেই এ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে।

(৪) এ্যাসাইনমেন্ট সরাসরি নিজের হাতে লিখতে হবে। এতে হাতের লেখার যেমন অনুশীলন হবে, তেমনি বিষয়টি বুঝতেও সুবিধা হবে।

(৫) এ্যাসাইনমেন্ট লেখার ক্ষেত্রে যে কোনাে কাগজ ব্যবহার করলেই চলবে। তবে কাভার পৃষ্ঠায় নাম, শ্রেণি, রােল, বিষয় (সাবজেক্ট) ও এ্যাসাইনমেন্ট এর শিরােনাম/ধরণ স্পষ্টভাবে লিখতে হবে।

অভিভাবকগণের প্রতি পরামর্শঃ

(১) শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে উৎসাহিত করা।

(২) শিক্ষার্থীদের এ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে মূল্যায়ন প্রক্রিয়া মূলত তাদের শিখন অর্জন যাচাই এবং কোন্ কোন ক্ষেত্রে শিখনের ঘাটতি রয়েছে তা নিরুপণ করা। তাই শিক্ষার্থী নিজে যাতে এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে তা নিশ্চিত করা।

(৩) শিক্ষার্থীর অনুধাবন ক্ষমতা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধির জন্য তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা।

(৪) শিক্ষার্থী যেন সময়মত এ্যাসাইনমেন্ট পায় এবং তা যেন যথাসময়ে জমা দেওয়া হয় তা নিশ্চিত করা।

(৫) নােট বই, গাইড বই, বা অন্য কারও লেখা থেকে নকল করে এ্যাসাইনমেন্ট জমা দিলে তা বাতিল করা হবে এবং পুনরায় এ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে। এ্যাসাইনমেন্ট তৈরির সময় শিক্ষার্থী যেন নােট বই বা গাইড বইয়ের সাহায্য না নেয়, বা অন্য কারও লেখা থেকে নকল না করে তা লক্ষ্য রাখা।

১ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট-এর শুরুতে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত বিস্তারিত দিক-নির্দেশনা পাওয়া যাবে, ইন-শা-আল্লাহ।

এ্যাসাইনমেন্ট

১ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট: http://scdbd.org/wp-content/uploads/2020/11/এ্যাসাইনমেন্ট-১ম-সপ্তাহের-জন্য.pdf
২য় সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট: http://scdbd.org/wp-content/uploads/2020/11/এ্যাসাইনমেন্ট-দ্বিতীয়-সপ্তাহের-জন্য-1.pdf

৩য় সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট: http://scdbd.org/wp-content/uploads/2020/11/এ্যাসাইনমেন্ট-৩য়-সপ্তাহের-জন্য.pdf

৪র্থ সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট: http://scdbd.org/wp-content/uploads/2020/11/চতুর্থ-সপ্তাহের-এসাইনমেন্ট.pdf

৫ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট: http://scdbd.org/wp-content/uploads/2020/11/Assignment-5th-week.pdf

৬ষ্ঠ সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট: http://scdbd.org/wp-content/uploads/2020/12/Assignment-6th-week.pdf