অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের জন্য

স্কুল ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট

স্কুল হ্যান্ডবুক

বাড়ি–৫৪/এ, রোড–১২, শেখেরটেক, মোহাম্মদপুর, ঢাকা–১২০৭

মাসিক বেতন পরিশোধ প্রতি মাসের ৮ তারিখের মধ্যে
স্কুল অফিস · অফিস সময়ের মধ্যে ০১৭০৫–৬৭৯৬০৩
স্কুলের নোটিশ নোটিশ বোর্ড দেখুন ↗

ভর্তি, বেতন ও টি.সি. বিষয়ক

ভর্তি ও অন্যান্য ফি

ফির ধরন পরিমাণ পরিশোধের সময়
ভর্তি ফি ১০,০০০ টাকা শুধুমাত্র প্রথমবার ভর্তির সময়
বাৎসরিক সেশন ফি ৬,০০০ টাকা প্রতি বছর নতুন শিক্ষাবর্ষে
টার্ম পরীক্ষার ফি ৫০০ টাকা প্রতিটি টার্ম পরীক্ষার আগে ঘোষিত সময়ের মধ্যে

শ্রেণিভিত্তিক মাসিক ফি

শ্রেণি মাসিক ফি
নার্সারি ও কেজি৩,৫০০ টাকা
১ম–৫ম শ্রেণি৪,০০০ টাকা
৬ষ্ঠ–১০ম শ্রেণি৪,৫০০ টাকা
  1. স্কুলের ঘোষিত নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে ভর্তি ফি/সেশন ফি জমা দিয়ে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। পুরাতন শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে ভর্তি হতে না পারলে এবং পরবর্তীতে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির মাধ্যমে আসন পূরণ হয়ে গেলে, পুরাতন শিক্ষার্থীকে অপেক্ষমাণ তালিকায় (Waiting List) রাখা হবে।
  2. প্রতি মাসের ৮ তারিখের মধ্যে স্কুল ফি পরিশোধ করতে হবে।
  3. প্রতিটি টার্ম পরীক্ষার আগে স্কুলের ঘোষিত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরীক্ষার ফি জমা দিয়ে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে। প্রবেশপত্র সংগ্রহের সময় পূর্বের সব বকেয়া স্কুল ফি, ভর্তি ফি ইত্যাদি পরিশোধ করতে হবে। প্রবেশপত্র ছাড়া কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
  4. স্কুলের নিয়মনীতি ভঙ্গের কারণে কোনো শিক্ষার্থীকে টি.সি. দেওয়া হলে অথবা সংগত কোনো কারণ (যেমন চাকরিক্ষেত্রে অভিভাবকের বদলি ইত্যাদি) ছাড়া কোনো শিক্ষার্থীকে অন্যত্র নিয়ে গেলে, তাকে কোনো অবস্থাতেই পুনরায় স্কুলে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে না।
  5. যেকোনো কারণে স্কুল ত্যাগ করলে পরিশোধিত ভর্তি ফি, সেশন ফি, মাসিক ফি ইত্যাদি ফেরত দেওয়া হবে না।

স্কুল ড্রেস, টিফিন ও শিক্ষা উপকরণ

  1. শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং স্কুলের নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরে স্কুলে আসবে। নির্ধারিত ইউনিফর্ম ছাড়া স্কুলে এলে স্কুল চলাকালীন সময়ে ক্লাসে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
  2. শিক্ষার্থীদের অবশ্যই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্কুল প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে হবে। অন্যথায় স্কুলে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
  3. স্কুলে অনুপস্থিত থাকলে পরবর্তী দিন অনুপস্থিতির কারণ উল্লেখ করে আবেদনপত্র ক্লাস টিচারের কাছে জমা দিতে হবে অথবা স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। লিখিত আবেদনপত্রে শিক্ষার্থীর পাশাপাশি বাবা/মা/অভিভাবকের স্বাক্ষর থাকতে হবে।
  4. স্কুল থেকে প্রতিদিন টিফিন দেওয়া হয়। বাসা বা বাইরে থেকে টিফিন বা অন্য কোনো খাবার আনা অনুমোদিত নয়।
  5. নার্সারি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলের নির্ধারিত স্কুল ব্যাগ, টিফিন বক্স, পানির বোতল এবং অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ ব্যবহার করতে হবে। নির্ধারিত উপকরণের বাইরে অন্য কোনো উপকরণ ব্যবহার করা যাবে না।
  6. ৬ষ্ঠ–১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পানির বোতল, স্কুল ব্যাগ, পোশাক ইত্যাদি কেনা বা সংগ্রহের সময় সর্বাবস্থায় ছবি এবং বিজাতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জিনিস বর্জন করবে। শিক্ষা উপকরণ কেনার সময় মনে রাখতে হবে, তা যেন প্রয়োজন পূরণের জন্য উপযোগী হয়। খুব দামি/ফ্যান্সি/স্টাইলিশ শিক্ষা উপকরণ সর্বাবস্থায় বর্জনীয়।
  7. বিভিন্ন সময়ে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই স্কুল ড্রেস, জুতা ইত্যাদির পরিচ্ছন্নতা এবং চুল (ছেলেদের জন্য), নখ ইত্যাদি নিয়মিত কাটা হয়েছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা হয়।
  8. স্কুলে কোনো অবস্থাতেই দামি গহনা, মোবাইল, ঘড়ি, কলম, খেলনা ইত্যাদি সামগ্রী আনা যাবে না। সপ্তাহে একবার যেকোনো দিন স্কুল ব্যাগ পরীক্ষা করা হয়। প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ছাড়া অন্য কোনো ধরনের সামগ্রী ব্যাগে পাওয়া গেলে তা বাজেয়াপ্ত করা হয়।

শিক্ষক/শিক্ষিকার সঙ্গে অভিভাবকদের সাক্ষাৎ

  1. বিশেষ প্রয়োজনে স্কুলের উস্তাজ/উস্তাজার সঙ্গে কোনো অভিভাবক দেখা করতে চাইলে অফিসে জানাতে হবে। পরবর্তীতে অফিস থেকে সাক্ষাতের সময় জানিয়ে দেওয়া হবে। স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া সরাসরি কোনো উস্তাজ/উস্তাজার সঙ্গে স্কুলের বিষয়ে যোগাযোগ করা নিষেধ।
  2. স্কুলের নির্ধারিত সময়ে সাক্ষাৎ ছাড়া স্কুলের বাইরে বা ব্যক্তিগতভাবে কোনো উস্তাজ/উস্তাজা বা স্টাফের সঙ্গে স্কুল বিষয়ক আলাপ-আলোচনা করা যাবে না। স্কুল সংক্রান্ত বিষয়ে উস্তাজ/উস্তাজার ব্যক্তিগত মোবাইলে ফোন করা থেকেও বিরত থাকতে হবে।

স্কুলের সঙ্গে যোগাযোগ

অফিসের মোবাইল: ০১৭০৫–৬৭৯৬০৩ · অফিস সময়ের মধ্যে

নোটিশ: www.scdbd.org/notice

অভিযোগ/পরামর্শ: scd.concerns@gmail.com

  1. স্কুলের যেকোনো বিষয় সম্পর্কে জানতে সরাসরি স্কুলের অফিস রুমে অথবা অফিস সময়ের মধ্যে স্কুলের নির্ধারিত মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করুন।
  2. নিয়মিত স্কুলের নোটিশ বোর্ডে চোখ রাখুন। স্কুলের সব নোটিশ সাধারণত ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। এছাড়া মোবাইলে এসএমএস ও স্কুল ম্যানেজমেন্ট মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও জরুরি নোটিশ জানিয়ে দেওয়া হবে।
  3. স্কুল সম্পর্কিত অভিযোগ/পরামর্শ ম্যানেজিং কমিটির কনভেনারকে সরাসরি জানাতে উল্লিখিত ইমেইলে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়া স্কুল সম্পর্কে মূল্যবান বক্তব্য বা মতামত থাকলে তা ব্যক্তি পর্যায়ে আলোচনা বা সমালোচনা না করে নিচতলায় সংরক্ষিত ‘অভিযোগ/পরামর্শ বক্সে’ লিখে জমা দিন। ম্যানেজিং কমিটির পক্ষ থেকে তা দেখা, পর্যালোচনা করা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়, আলহামদুলিল্লাহ।
  4. অভিভাবকগণ অবশ্যই প্রতিদিন শিক্ষার্থীর স্কুল ডায়েরি পর্যবেক্ষণ করবেন। স্কুল থেকে কোনো নির্দেশনা দেওয়া থাকলে তার বিপরীতে বাবা-মা/অভিভাবকগণ অবশ্যই স্বাক্ষর প্রদান করবেন।

স্কুল ও শিক্ষক/শিক্ষিকাদের সঙ্গে আচরণ

  1. স্কুলের শিক্ষক/শিক্ষিকাদের প্রতি সবসময় সম্মানসূচক আচরণ করতে হবে। স্কুলে কর্মরত শিক্ষক/শিক্ষিকারা আমাদেরই দ্বীনি ভাই/বোন। তাঁদের সম্মান রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।
  2. তাঁদের কোনো ভুল/ত্রুটি পাওয়া মাত্র তা নিয়ে জনসমক্ষে বা নিজেদের মধ্যে সমালোচনা না করে স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। স্কুল কর্তৃপক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে, ইনশাআল্লাহ।

টার্ম/সাময়িকী ও সি.টি. (ক্লাস টেস্ট) পরীক্ষা

  1. কেজি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত দুটি টার্ম/সাময়িকী পরীক্ষা—অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক—অনুষ্ঠিত হয়। তবে ১০ম শ্রেণির পরীক্ষা অন্যান্য বোর্ড পরীক্ষার সঙ্গে সংগতি রেখে মডেল টেস্ট আকারে নেওয়া হয়।
  2. নার্সারিতে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় না। স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষার সঙ্গে নার্সারির প্রথম আনুষ্ঠানিক পরীক্ষা শুরু হয়।
  3. নার্সারি ও কেজিতে কোনো ক্লাস টেস্ট হয় না।

অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষার নম্বর বণ্টন

মূল্যায়নের বিষয় নম্বরের অংশ
ক্লাস টেস্ট (CT)১০%
ক্লাস পারফরম্যান্স, উপস্থিতি, আদব/আখলাক১০%
অর্ধবার্ষিক/বার্ষিক পরীক্ষা৮০%
  1. বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাসে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ৩০%–৪০% সিলেবাস পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
  2. প্রতিটি বিষয়ের পূর্ণমান ১০০-তে প্রকাশ করা হয়।
  3. প্রতিটি টার্ম পরীক্ষার আগে একাধিক ক্লাস টেস্ট (CT) অনুষ্ঠিত হয়। এসব ক্লাস টেস্টের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রাপ্ত নম্বরটি মূল পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে যোগ করা হয়।
  4. ক্লাস টেস্ট সাধারণত ক্লাসে যতটুকু সিলেবাস পড়ানো হয়, তার ওপর হয়ে থাকে। CT চলাকালীন অন্যান্য সব ক্লাস স্বাভাবিকভাবে চলমান থাকে। কোনো ধরনের ছুটি দেওয়া হয় না।
  5. ক্লাস টেস্টের নম্বর অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষার সঙ্গে যোগ হয়। তাই শিক্ষার্থীদের ক্লাস টেস্টকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিতে হবে।
  6. অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষা রুটিন অনুযায়ী দিতে না পারলে পরবর্তীতে পুনরায় (Retake) দেওয়া যায় না।
  7. অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষার দিন অন্তত ১৫ মিনিট আগে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে।
  8. পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষার হল থেকে বের হওয়া যাবে না।
  9. পরীক্ষায় কোনো ধরনের অসদুপায় অবলম্বন করলে স্কুল থেকে সাময়িক/সম্পূর্ণ বহিষ্কার করা হতে পারে।

রেজাল্ট বিষয়ক

  1. স্কুলের নির্ধারিত দিনে পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। অভিভাবকবৃন্দ নিজ হাতে রেজাল্ট গ্রহণ করেন। অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া শিক্ষার্থীর হাতে রেজাল্ট দেওয়া হয় না।
  2. রেজাল্টের দিন ফলাফল বিষয়ক অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলে নির্ধারিত ফরমে লিখিতভাবে স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
  3. প্রতিটি ফলাফল ঘোষণার কিছুদিনের মধ্যেই পরীক্ষার খাতা দেখার জন্য উন্মুক্ত করা হয়। তবে ১০ম শ্রেণি ছাড়া অন্য শ্রেণির পরীক্ষার খাতা বাসায় নিতে দেওয়া হয় না।
  4. পরীক্ষার খাতায় নম্বর কম/বেশি হওয়া বা খাতা নিরীক্ষা সম্পর্কিত অভিযোগ/পরামর্শ থাকলে লিখিতভাবে স্কুল অফিসে জমা দিতে হবে। স্কুল কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে প্রয়োজন সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
  5. পরীক্ষার ফলাফল মার্কশিটের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। মার্কশিটে স্কুলের পক্ষ থেকে মন্তব্য থাকে।
  6. প্রতিটি বিষয়ে পাস নম্বর ৩৩%। অর্থাৎ, ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ন্যূনতম ৩৩ এবং ৫০ নম্বরের পরীক্ষায় ন্যূনতম ১৬.৫ নম্বর অর্জন করতে হবে।
  7. কোনো শিক্ষার্থী একটি বিষয়েও অকৃতকার্য হলে তাকে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত করা হবে না।
  8. অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর উন্নীতকরণের জন্য কোনো ধরনের ব্যক্তিগত অনুরোধ বা আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

প্যারেন্টস মিটিং

  1. প্রতিটি টার্ম পরীক্ষার আগে একটি প্যারেন্টস মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত সময়ে অভিভাবকদের উপস্থিতি একান্ত কাম্য।
  2. প্রতিটি প্যারেন্টস মিটিংয়ে সাধারণত স্কুলের কনভেনার, প্রিন্সিপাল, ভাইস-প্রিন্সিপাল ও ক্লাস টিচার উপস্থিত থেকে অভিভাবকের সঙ্গে আলাদাভাবে (One-to-One) মিটিং করেন। এতে শিক্ষার্থীর সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা এবং পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে ফলপ্রসূ সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ থাকে। তাই মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করা একান্ত জরুরি।
  3. প্যারেন্টস মিটিংয়ে অভিভাবকদের উপস্থিতি স্কুল কর্তৃপক্ষ পর্যবেক্ষণ করে এবং পরবর্তীতে যেকোনো বিষয়ে মতামত গ্রহণের ক্ষেত্রে তা বিবেচনায় আনে।

অন্যান্য বিষয়

  1. স্কুলের সম্পদ শিক্ষার্থীদের কাছে আমানত। এই আমানতের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের দ্বারা স্কুলের কোনো সম্পদ নষ্ট হলে তার পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।
  2. ১ম থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত ছেলে ও মেয়ে শিক্ষার্থীরা পর্দার বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করবে।
  3. স্কুলে কর্মরত কোনো শিক্ষক/শিক্ষিকার প্রাইভেট পড়ানোর সহায়তা নিতে চাইলে অভিভাবকদের স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে অনুমতি নিতে হবে।

মা আসসালামা,
অধ্যক্ষ
এস.সি.ডি.

এই স্কুল হ্যান্ডবুকে উল্লিখিত নিয়মাবলি প্রয়োজন সাপেক্ষে পরিবর্তন/পরিবর্ধন হতে পারে।

Scroll to Top