২০২৬ শিক্ষাবর্ষ সংক্রান্ত দিক নির্দেশনা (নার্সারি – ১০ম শ্রেণি)

স্কুল ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট

মোহাম্মদপুর শাখা

اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ ٱللَّهِ وَبَرَكاتُهُ

ﺇِﻥَّ ﺍﻟْﺤَﻤْﺪَ ﻟِﻠﻪِ ﻧَﺤْﻤَﺪُﻩُ ﻭَﻧَﺴْﺘَﻌِﻴْﻨُﻪُ ﻭَﻧَﺴْﺘَﻐْﻔِﺮُﻩْ ﻭَﻧَﻌُﻮﺫُ ﺑِﺎﻟﻠﻪِ ﻣِﻦْ ﺷُﺮُﻭْﺭِ ﺃَﻧْﻔُﺴِﻨَﺎ ﻭَﻣِﻦْ ﺳَﻴِّﺌَﺎﺕِ ﺃَﻋْﻤَﺎﻟِﻨَﺎ، ﻣَﻦْ ﻳَﻬْﺪِﻩِ ﺍﻟﻠﻪُ ﻓَﻼَ ﻣُﻀِﻞَّ ﻟَﻪُ ﻭَﻣَﻦْ ﻳُﻀْﻠِﻞْ ﻓَﻼَ ﻫَﺎﺩِﻱَ ﻟَﻪُ. ﺃَﺷْﻬَﺪُ ﺃَﻥَّ ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﺍﻟﻠﻪ ﻭَﺃَﺷْﻬَﺪُ ﺃَﻥَّ ﻣُﺤَﻤَّﺪًﺍ ﻋَﺒْﺪُﻩُ ﻭَﺭَﺳُﻮْﻟُﻪُ

সবাইকে এস.সি.ডি মোহাম্মদপুর শাখায় আহলান ওয়া সাহলান।

জেনারেল ক্লাস রুটিন দেখতে নিচের বাটনে-এ ক্লিক করুন:


  • উপরের লিংকে ক্লিক করলে একটি গুগল শিট ওপেন হবে। যেখাবে ২টি Tab দেখতে পাবেন। একটি Tab-এ কুরআন/হিফজ ক্লাসের আসনবিন্যাস এবং আরেকটি Tab-এ এ্যারাবিক ক্লাসের আসনবিন্যাস দেওয়া হয়েছে।
  • উপরোক্ত শিট অনুযায়ী শিক্ষার্থী রুম পরিবর্তন করে নির্ধারিত রুমে কুরআন, আরবি এবং জেনারেল ক্লাস করবে, ইন-শা-আল্লাহ। এ বিষয়ে নতুন শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত দিকনির্দেশনা ক্লাসেই দেয়া হবে, ইনশাআল্লাহ।

ক্লাসশিফটসেকশনশুরুর সময়ভবন
নার্সারিমর্নিং শিফটSection A, Section Bসকাল ৯:০০-১১:০০ভবন-২
নার্সারিডে শিফটSection C, Section Dসকাল ১১:৩০ – ১:৩০ভবন-২
কেজিমর্নিং শিফট (Girls)Section A, Section Bসকাল ৮:০০ – ১০:৩৫ভবন-২
কেজিডে শিফট (Boys)Section C, Section Dসকাল ১১:০০ – ১:৩৫ভবন-২

  • পূর্ব ঘোষনা অনুযায়ী, নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সব বই স্কুলে নিয়ে আসবে। বইগুলো স্কুলে রেখে দেওয়া হবে এবং ক্লাস ওয়ার্ক করানো হবে ইন-শা-আল্লাহ। বাড়ির কাজ হিসেবে শিক্ষার্থীদের খাতায় হোমওয়ার্ক দেওয়া হবে। নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কোনো ডায়রি দেওয়া হয় না। তাই অভিভাবকবৃন্দ প্রতিদিন হোমওয়ার্কের খাতা চেক করবেন এবং বাসায় দেওয়া বাড়ির কাজ করাবেন।
  • নার্সারি শ্রেণির মেয়ে শিক্ষার্থীরা যেন কোনো বাড়তি অলংকার পরিধান না করে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। এছাড়া কোনো খেলনা বা বাড়তি জিনিস ব্যাগে করে না আনে সেদিকে খেয়াল রাখেবেন।
  • নার্সারি শ্রেণিতে যারা এ বছর ভর্তি হয়েছে, তাদের অধিকাংশের জন্য আগামাী ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ জীবনের প্রথম স্কুলের দিন। কিছু শিক্ষার্থী মা-বাবার কাছ থেকে আলাদা হয়ে ক্লাসে যাওয়ার সময় কান্নাকাটি করে থাকে, যা খুবই স্বাভাবিক। এ ধরনের পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের ধৈর্য্য ধরার জন্য অনুরোধ করছি এবং বাচ্চার কাছে যাওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।


ক্লাসসময়সময়টিফিনসময়ভবন
১ম-৯ম শ্রেণি৭:২০৮:৫০ (কুরআন)৮:৫৫-৯:৫৫ (আরবি)৯:৫৫-১০:১৫১০:১৫ (জেনারেল)ভবন-১
১০ম শ্রেণি৮:২০১:২০ (জেনারেল)ভবন-১

ক্লাসসময়টিফিনসময়সময়ভবন
১ম–২য় শ্রেণি৮:৪৫-১০:৫৫ (জেনারেল)১০:৫৫-১১:১৫১১:১৫-১২:৪৫ (কুরআন)১২:৫০-১৩:৫০ (আরবি)ভবন-২
৩য়-৯ম শ্রেণি৮:০০-১০:৫৫ (জেনারেল)১০:৫৫-১১:১৫১১:১৫-১২:৪৫ (কুরআন)১২:৫০-১৩:৫০ (আরবি)ভবন-২

বয়েজ শিফট ১ম-১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ক্লাস শেষে ভবন-২ এ যোহরের সলাত আদায় করবে।

ভবন-২

২০২৬ সালে স্কুলের বর্ধিত একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য মূল ভবন থেকে ৩টি প্লট পশ্চিমে নিয়ামাহ প্যালেসে, (বাড়ি-৫৪/৬, রোড-১২, শেখেরটেক, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭) নার্সারি, কেজি এবং বয়েজ শিফটের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এছাড়া অফিসিয়াল সকল কার্যক্রম ভবন-২ থেকে পরিচালিত হবে, ইন-শা-আল্লাহ।

উল্লেখ্য, ভবন-১ শুধুমাত্র মেয়ে শিক্ষার্থীদের (১ম-১০ম শ্রেণি) একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হবে। অফিসিয়াল প্রয়োজনে উক্ত শ্রেণির অভিভাবকবৃন্দ ভবন-২ এর নিচ তলায় যোগাযোগ করবেন, ইন-শা-আল্লাহ। ভবন-১-এ অভিভাবক বা বহিরাগতদের প্রবেশ সম্পূর্ণ সীমিত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

শিক্ষার্থীদের আই.ডি কার্ড পরিধান ও অভিভাবকদের আই.ডি কার্ডের ‘অভিভাবক কপি’ প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীদের স্কুল থেকে নিয়ে যাওয়া

স্কুলের প্রত্যেক শিক্ষার্থীকেই স্কুল থেকে ২টি আই.ডি কার্ড প্রদান করা হয়। একটি প্লাস্টিক আই.ডি. কার্ড (যা শিক্ষার্থী পরিধান করবে) এবং আরেকটি ল্যামিনেটেড আই.ডি. কার্ড (Guardian Copy) যা প্রত্যেক অভিভাবক শিক্ষার্থীদের স্কুল থেকে নিয়ে যাওয়ার সময় গেটে প্রদর্শন করবে।

  • ৩য় থেকে ৮ম শ্রেণির কোনো অভিভাবক যদি শিক্ষার্থীদের কাছে ২টি আই.ডি কার্ডই দিয়ে রাখেন, তাহলে স্কুল কর্তৃপক্ষ ধরে নিবে যে সেই শিক্ষার্থী একাই স্কুল থেকে বাসায় যাবে
  • নার্সারি থেকে ২য় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো শিক্ষার্থীকে অভিভাবক ছাড়া একা বাসায় যেতে দেওয়া হবে না।
  • কারও আই.ডি কার্ড হারিয়ে গেলে স্কুলের নির্ধারিত ফি প্রদান করে আই.ডি কার্ড সংগ্রহ করবেন। বা হারিয়ে গেলে স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানালে ১ দিনের মধ্যে লেমিনেটেড আই.ডি. কার্ড প্রদান করবে, ইন-শা-আল্লাহ।

আই.ডি. কার্ড পরিধান ও আই.ডি. কার্ডের অভিভাবক কপি প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীদের স্কুল থেকে নেওয়ার বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ কঠোর নীতি অবলম্বন করে। তাই অভিভাবকগণ নিয়মের ব্যত্যয় ঘটাতে অনুরোধ করে স্কুল কর্তৃপক্ষকে বিব্রত করবেন না, ইন-শা-আল্লাহ।

টিফিন এবং পানি পান ও টয়লেট ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশনা

প্রতি রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার স্কুল থেকে টিফিন প্রদান করা হবে। শিক্ষার্থীরা বাসা থেকে বা বাইরে থেকে কোনো ধরনের খাবার স্কুলে আনবে না। নার্সারি থেকে ৫ম শ্রেণির সকল শিক্ষার্থী অবশ্যই সাথে করে (স্কুল নির্ধারিত) টিফিন বক্স নিয়ে আসবে। নার্সারি থেকে ৫ম শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীকে যার যার টিফিন বক্সে টিফিন দেওয়া হবে। তারা স্কুলেই সেই টিফিন খাবে এবং কিছু অবশিষ্ট থাকলে বাসায় নিয়ে যাবে। কোন অবস্থাতেই খাবার নষ্ট করা যাবে না।

স্কুলের প্রতিটি তলাতেই ‘RO সিস্টেম’-এর খাবার পানির ফিল্টার রয়েছে। শিক্ষার্থীরা যার যার ব্যক্তিগত পানির বোতল (স্কুল নির্ধারিত) নিয়ে আসবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পানি ভরে নিবে। একজনের পানির বোতল আরেকজন ব্যবহার করবে না।

টয়লেট ব্যবহার করার পর শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত এবং টয়লেট-এর পরিস্কার/পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। যেন পরবর্তী ব্যবহারকারী টয়লেটে প্রবেশের পর একটি পরিচ্ছন্ন টয়লেট পায়। এ বিষয়ে অভিভাবকবৃন্দ সন্তানদের অবগত করবেন।

পোশাক ও সময়ানুবর্তিতা

প্রাথমিক অবস্থায় অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষে পরিপূর্ণভাবে স্কুল ইউনিফর্ম পরে আসা সম্ভব হবে না। তবে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অবশ্যই পরিপূর্ণভাবে ইউনিফর্ম পরে আসা নিশ্চিত করতে হবে। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে কোনো শিক্ষার্থী পরিপূর্ণ ইউনিফর্ম ছাড়া স্কুলে প্রবেশ করার অনুমতি পাবে না। শিক্ষার্থীরা ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর পূর্ব পর্যন্ত স্কুলের নির্ধারিত ইউনিফর্ম-এর কাছাকাছি ধরন এবং রং-এর পোশাক পরিধান করে আসবে।

১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে কোনো শিক্ষার্থী ক্লাস শুরু হওয়ার নির্ধারিত সময়ের পরে স্কুলে প্রবেশ করতে পারবে না। এমনকি, ১ মিনিট লেট হলেও মেইন গেইট বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং যারা লেট করে স্কুলে উপস্থিত হবে তাদের ফিরে যেতে হবে। এক্ষেত্রে স্কুল অফিসে ফোন করা বা প্রিন্সিপাল উস্তাজকে ফোন করে কোনো ধরনের অনুরোধ করা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে। তবে, কোনো প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট দূর্যোগ-এর কারণে, বিশেষ পরিস্থিতিতে এ বিষয়ে ছাড় দেওয়া হতে পারে। তবে সেটা সম্পূর্ণভাবে স্কুলের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল হবে। অভিভাবকদের অনুরোধের ভিত্তিতে নয়।

স্কুলের নির্ধারিত ইউনফর্ম ও সঠিক সময়ে স্কুলে প্রবেশের বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ “জিরো টলারেন্স” নীতি অনুসরণ করে। তাই দেরী করে উপস্থিত হওয়া শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ এই বিষয়ে ধৈর্যের পরিচয় দিবেন এবং দয়া করে স্কুলের গার্ড বা স্টাফদের সাথে উচ্চবাচ্য বা অসন্তোষ প্রকাশ করবেন না।


আপানরা সকলেই অবগত যে, এস.সি.ডি মোহাম্মদপুর শাখাটি একটি আবাসিক এলাকায় অবস্থিত। বিগত সময়ে লক্ষ্য করা গেছে, শিক্ষার্থীদের স্কুলে পৌঁছে দেওয়া ও স্কুল থেকে নিয়ে যাওয়ার সময় বিভিন্ন ধরনের যানবাহন (রিকশা, অটো-রিকশা, সি.এন.জি, মোটরবাইক ও প্রাইভেট কার) সরাসরি স্কুল গেটের সামনে আসার ফলে আশেপাশের রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে, যা স্কুলের গলিতে বসবাসরত মানুষদের জন্য বেশ অসুবিধার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এই প্রেক্ষিতে, আপনাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ —
শেখেরটেক ১২ নম্বর রোডের চওড়া অংশ পর্যন্ত যানবাহন রাখবেন। সেখান থেকে লিনা জেনারেল স্টোরের পাশের গলি দিয়ে হেঁটে শিক্ষার্থীদের স্কুলে নিয়ে আসবেন এবং ছুটির পর একই পথে হেঁটে এসে উক্ত চওড়া অংশ থেকে যানবাহনে উঠবেন।

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে, দয়া করে স্কুলের সামনে যানবাহন থেকে ওঠানামা করা থেকে বিরত থাকবেন।


আপনার/আমার সন্তানদের সত্যিকার মুসলিম হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় সকলের আন্তরিক সহযোগিতা একান্ত কাম্য। এস সি ডি’তে অনুসরণকৃত প্রতিটি নিয়মের পেছনেই মুসলিম চরিত্র গঠনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে। তাই নিয়মের কঠোরতার বিষয়গুলো কেউ ব্যক্তিগতভাবে নিবেন না এবং প্রতিটি নিয়ম অনুসরণে সকলেই সহযোগিতামূলক মনোভাব রাখবেন বলে আমরা আশা করি।

মা’আসসালামাহ

অধ্যক্ষ

এস.সি.ডি (মোহাম্মদপুর শাখা)